ওমান এবং আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ মে মাসে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ৭৪২ মিলিয়ন ওমানি রিয়াল হয়েছে, যা প্রায় ১.৯ বিলিয়ন ডলারের সমান। ওমান নিউজ এজেন্সির রিপোর্ট অনুযায়ী, জাতীয় পরিসংখ্যান ও তথ্য কেন্দ্রের প্রাথমিক পরিসংখ্যান অনুসারে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই বাণিজ্য ৬.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকায় ওমানের রপ্তানির মোট মূল্য মে মাসের শেষে ২৫৫ মিলিয়ন রিয়াল দাঁড়িয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৩.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। রপ্তানির প্রধান উপাদান ছিল সাধারণ ধাতু, যার মূল্য ১০৬ মিলিয়ন রিয়াল, এরপরে প্লাস্টিক এবং রাবারের পণ্য ৮৬ মিলিয়ন রিয়াল এবং রাসায়নিক শিল্পের পণ্য ৪৩ মিলিয়ন রিয়াল ছিল।
অন্যদিকে, আমেরিকা থেকে ওমানের আমদানির মোট মূল্য ছিল ৪৬৯ মিলিয়ন রিয়াল, যা গত বছরের তুলনায় ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই আমদানির মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ ছিল খনিজ পণ্য, যার মূল্য ২০৪ মিলিয়ন রিয়াল। এরপরে যানবাহন ও পরিবহন সরঞ্জাম ১০৬ মিলিয়ন রিয়াল এবং যন্ত্রপাতি, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম এবং এর যন্ত্রাংশ ৩১ মিলিয়ন রিয়াল ছিল।
মে মাসের শেষে আমেরিকার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ওমানের প্রধান বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে উঠে এসেছে, যেখানে আমদানি ও রপ্তানির পরিমাণ প্রতিটির জন্য ১৯৭ মিলিয়ন রিয়াল ছিল। যদিও যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি ৭.৯ শতাংশ কমেছে, ওমানের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি ১৪.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০০৯ সালে স্বাক্ষরিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির কারণে এই উন্নতি হয়েছে, যা বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের সুযোগ বাড়িয়েছে।
ব্রাজিল থেকে আমদানি ২২৬ মিলিয়ন রিয়ালে পৌঁছেছে, যা ১৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ব্রাজিলে রপ্তানি ৪ মিলিয়ন রিয়ালে নেমে এসেছে, যা ৮.৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
এই বাণিজ্য পরিসংখ্যানগুলো ওমান নিউজ এজেন্সি এবং জাতীয় পরিসংখ্যান ও তথ্য কেন্দ্রের রিপোর্টে উল্লিখিত হয়েছে, যা ওমানের কৌশলগত গুরুত্ব এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে এর ক্রমবর্ধমান ভূমিকার প্রমাণ।
সম্পাদক: রাশেদুল হাসান (রাশেদুল তুষার)
প্রকাশক: শফিউল আজম বাবু
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: ফয়সাল নূরী
মহাব্যবস্থাপক: জাফর উল্লাহ কচি
স্বত্ব © ২০২৫ | মায়ামি সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত