বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, বিদেশে অর্থ পাচার এবং বিভিন্ন দেশে ব্যবসা ও বাড়ি কেনার অভিযোগ অনুসন্ধান করবে সেই দেশের দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক)।
সেই সাথে আজিজ আহমেদের ভাই তোফায়েল আহমেদ ও জোসেফের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগও খতিয়ে দেখবে দুদক।
বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুদক সচিব খোরশেদা ইয়াসমীন বলেন, “সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ দুর্নীতির মাধ্যমে রাজধানীসহ বিভিন্ন জায়গায় বাড়ি, ফ্ল্যাট ক্রয়, ভাইদের নামে ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় বাড়ি ও কয়েকশ’ বিঘা জমি ক্রয় করেছেন। এছাড়াও তার দেশে-বিদেশে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। গোয়েন্দা অনুসন্ধানে প্রাথমিকভাবে এসব তথ্য সঠিক পরিলক্ষিত হওয়ায় প্রকাশ্য অনুসন্ধানের জন্য কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের জুন থেকে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত তিন বছর বাংলাদেশের চিফ অভ আর্মি স্টাফ ছিলেন জেনারেল আজিজ আহমেদ। তার আগে ২০১২ সাল থেকে চার বছর তিনি বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর নেতৃত্ব দেন।
সেনাপ্রধান হিসেবে মেয়াদের শেষ সময়ে কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরা’র এক প্রতিবেদনে আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতিসহ নানা অভিযোগ তোলা হলে আজিজ আহমেদের পাশাপাশি সরকার এবং সেনাসদর সেই সময় প্রতিবাদ জানিয়েছিল।
এরপর দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগে চলতি বছরের ২০ মে আজিজ আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। তখনও দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেন সাবেক এই জেনারেল।
সম্পাদক: রাশেদুল হাসান (রাশেদুল তুষার)
প্রকাশক: শফিউল আজম বাবু
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: ফয়সাল নূরী
মহাব্যবস্থাপক: জাফর উল্লাহ কচি
স্বত্ব © ২০২৫ | মায়ামি সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত