গ্রানাইট খনিতে পাথর উত্তোলনের নামে ৬০০ কোটি টাকার দুর্নীতির ঘটনা ধামাচাপা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অনুসন্ধান কর্মকর্তার প্রাপ্ত তথ্য ও প্রমাণ অনুযায়ী, এই দুর্নীতির সঙ্গে পেট্রোবাংলা, বাপেক্স ও গ্রানাইট খনির ১৩ শীর্ষ কর্মকর্তার সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। প্রথম অনুসন্ধান কর্মকর্তার সুপারিশে মামলার প্রস্তাব করা হলেও, দুদক সেটি আমলে না নিয়ে প্রতিবেদনটি ফেরত পাঠায়।
প্রথম অনুসন্ধান কর্মকর্তাকে সরিয়ে নতুন একজনকে দায়িত্ব দিয়ে পুনরায় অনুসন্ধান করা হয়, এবং পরে অভিযোগের পরিসমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। এতে সংশ্লিষ্ট মহল থেকে অভিযোগ ওঠে যে, মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, প্রভাবশালী মহলের চাপেই এই দুর্নীতির বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।
দুদক থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে জিটিসি (জার্মানিয়া ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম) কোম্পানির মাধ্যমে খনিতে মাত্র ৩০ লাখ টন পাথর উত্তোলন হয়, যেখানে চুক্তি অনুযায়ী ৯২ লাখ টন পাথর উত্তোলনের কথা ছিল। এই অপারেশনে ৬০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে রাষ্ট্রের।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এই ঘটনার তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, যেখানে ২ বছরের অনুসন্ধানের পর মামলার সুপারিশ করা হয়, সেখানে পুনরায় অনুসন্ধান করে পরিসমাপ্তির সুপারিশ করা অত্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ। মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ পাঠিয়ে অনুসন্ধান বন্ধ করার পেছনে প্রভাবশালীদের প্রভাব থাকতে পারে।
সম্পাদক: রাশেদুল হাসান (রাশেদুল তুষার)
প্রকাশক: শফিউল আজম বাবু
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: ফয়সাল নূরী
মহাব্যবস্থাপক: জাফর উল্লাহ কচি
স্বত্ব © ২০২৫ | মায়ামি সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত