৫ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। জনমত জরিপে উঠে এসেছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে কমলা হ্যারিসের সঙ্গে। তবে, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে ইলেক্টোরাল কলেজের ভোটে ট্রাম্প কিছুটা এগিয়ে আছেন। গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যগুলো যেমন নেভাডা, অ্যারিজোনা, মিনেসোটা, পেনসিলভেনিয়া, জর্জিয়া, নর্থ ক্যারোলাইনা এবং উইসকনসিনই ঠিক করবে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প ফিরছেন কি না। ট্রাম্পের জন্য এ নির্বাচন যেনো তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সঙ্গে একটি কৌতূহলোদ্দীপক প্রশ্নের উত্তরও বটে: তিনি প্রেসিডেন্ট থাকবেন, নাকি কারাবাসের মুখোমুখি হবেন?
আইনের প্যাঁচে আটকে ট্রাম্পের ভবিষ্যৎ
ট্রাম্প তার দীর্ঘ ব্যবসায়িক জীবনজুড়ে বিভিন্ন মামলা ও বিতর্কের সম্মুখীন হয়েছেন। তার হোটেল ও ক্যাসিনো ব্যবসা থেকে শুরু করে ট্রাম্প ইউনিভার্সিটি পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতারণার অভিযোগ এসেছে। ট্রাম্প ফাউন্ডেশন সংক্রান্ত দাতব্য তহবিলের অপব্যবহারের অভিযোগে একাধিক তদন্ত চলছে, যার ফলে ট্রাম্প ফাউন্ডেশনকে বিলুপ্ত করা হয়। কর জালিয়াতি এবং সম্পদের কৃত্রিম মূল্যস্ফীতির জন্য ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের জরিমানাও তাকে বহন করতে হয়েছে। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কর ফাঁকির অভিযোগও জোরালো হয়ে উঠেছে, যা নির্বাচনে পরাজিত হলে আরও প্রবল হতে পারে।
জীবনীকারের দৃষ্টিতে ট্রাম্পের ভবিষ্যৎ
ট্রাম্পের জীবনী লেখক গোয়েন্ডা ব্লেয়ার বলেন, "তিনি নিজেকে এমন একজন হিসেবে তুলে ধরেন, যিনি আইনের চোখ ফাঁকি দিতে পেরেছেন। কিন্তু এবার তিনি কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি। পরাজিত হলে তাকে হয়তো কারাগারে যেতে হবে; সম্পত্তির ক্ষতি হতে পারে।"
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগের দীর্ঘ তালিকা
সাম্প্রতিক গার্ডিয়ান প্রতিবেদনে বলা হয়, যদি তিনি পরাজিত হন, তবে আদালতের সামনে আরও অপমানজনক পরিস্থিতিতে পড়তে হতে পারে। প্রেসিডেন্ট পদে না থাকলে ট্রাম্পের এই মামলা ও অভিযোগগুলো তার জন্য বড় ধরনের বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারে। তার বিরুদ্ধে কর জালিয়াতির অভিযোগও আছে। ট্রাম্পের ব্যক্তিগত জীবনও নানা বিতর্ক ও স্ক্যান্ডালে পূর্ণ। অভিযোগ আছে, তিন স্ত্রীর সঙ্গেই প্রতারণা করেছেন ট্রাম্প।
সম্পাদক: রাশেদুল হাসান (রাশেদুল তুষার)
প্রকাশক: শফিউল আজম বাবু
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: ফয়সাল নূরী
মহাব্যবস্থাপক: জাফর উল্লাহ কচি
স্বত্ব © ২০২৫ | মায়ামি সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত