
মিয়ানমারে ৭.৭ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মান্দালয়ে একাধিক বহুতল ভবন ধসে পড়েছে। ভূমিকম্পের ফলে মিয়ানমারের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং অন্তত ২০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল মান্দালয়ের ১৭ কিলোমিটার দূরে, মাটির ১০ কিলোমিটার গভীরে। এর পর শক্তিশালী পরাঘাতও অনুভূত হয়েছে। শহরটির অনেক স্থানে ভবন ধসে পড়েছে এবং রাস্তায় ধ্বংসস্তূপ ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসা ছবি ও ভিডিওতে ধসে পড়া ভবন ও আহত মানুষের চিত্র দেখা গেছে।
ভূমিকম্পের প্রভাব থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককেও অনুভূত হয়। ব্যাংককের অনেক ভবন কেঁপে উঠেছিল এবং আতঙ্কিত হয়ে হাজার হাজার বাসিন্দা রাস্তায় নেমে আসেন। ব্যাংকক স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেনও স্থগিত হয়ে গেছে।
মিয়ানমারের সামরিক সরকার একাধিক অঞ্চলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে এবং কর্তৃপক্ষ ক্ষয়ক্ষতি পর্যালোচনার কাজ শুরু করেছে। তবে সরকার বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনও বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
বিশেষজ্ঞরা জানান, এই ভূমিকম্প গত ২০ বছরে মিয়ানমারে সবচেয়ে বড় মাত্রার ভূমিকম্প এবং এর পরাঘাত আরও হতে পারে। এটি 'ইন্দো-বার্মা সাবডাকশন জোন' নামক ভূগর্ভস্থ চ্যুতির ওপর ঘটেছে, যা ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পার্বত্য চট্টগ্রামসহ এর প্রভাব অনুভূত হয়েছে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের মতে, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.৩, তবে এটি একটি বড় ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত। বিশেষজ্ঞরা আরও সতর্ক করেছেন যে, এই অঞ্চলে ভূমিকম্পের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং আরও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
সম্পাদক: রাশেদুল হাসান (রাশেদুল তুষার)
প্রকাশক: শফিউল আজম বাবু
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: ফয়সাল নূরী
মহাব্যবস্থাপক: জাফর উল্লাহ কচি
স্বত্ব © ২০২৫ | মায়ামি সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত