Google search engine

নিহত ২, আহত ৪

ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটিতে গুলি

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটিতে ভয়াবহ এক বন্দুক হামলায় ২ জন নিহত এবং অন্তত ৪ জন আহত হয়েছেন। হামলাটি ঘটিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী, যিনি লিওন কাউন্টি শেরিফের ডেপুটি হিসেবে কর্মরত এক নারীর সন্তান। তার নাম ফিনিক্স আইকনার (২০ বছর)।

বৃহস্পতিবার (স্থানীয় সময় সকাল ১১:৫০ মিনিটে) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট ইউনিয়ন ভবনের কাছাকাছি শুরু হয় গুলির ঘটনা।

FSU mass shooting kills 2 people, injures 6; suspect in custody - CBS News
হামলায় নিহত দুইজন পুরুষ, তবে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন না বলে জানিয়েছেন ইউনিভার্সিটি পুলিশের প্রধান জেসন ট্রামবাওয়ের। আহতদের মধ্যে কেউ কেউ গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হলেও বর্তমানে তারা আশঙ্কামুক্ত।

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে পৌঁছে আত্মসমর্পণ করতে বলা হলেও আইকনার রাজি হননি। পরে পুলিশ বাধ্য হয়ে গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে আটক করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার সঙ্গে তার মা’র সরকারি হ্যান্ডগান পাওয়া গেছে, যেটি আইনি প্রক্রিয়ায় পরে তার মায়ের ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্র হয়ে যায়।

ঘটনার সময় ৪২ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে ছিলেন। শিক্ষার্থী ম্যাক্স জেনকিনস জানান, বন্দুকধারী বাইরে বের হয়ে চার থেকে পাঁচ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এক রক্ষণাবেক্ষণ কর্মীকে লক্ষ্য করেও গুলি চালায় বলে জানান তিনি।

স্টুডেন্ট ইউনিয়ন ভবনে লাঞ্চ করছিলেন ক্রিস পেন্টো, সঙ্গে ছিলেন তার সন্তানরাও। তিনি বলেন,

“এটা ছিল এক পরাবাস্তব অভিজ্ঞতা। সবাই দৌড়াতে শুরু করল, আমি তো ভয় পেয়েছিলাম আমার মেয়েকে পদদলিত করা হবে।”

ঘটনাস্থলে হ্যান্ডগানের পাশাপাশি একটি শটগান থাকারও তথ্য মিলেছে, তবে সেটি ব্যবহার হয়েছে কিনা তা এখনো নিশ্চিত নয়।

Florida University shooting: What we know so far - India Today
হামলার উদ্দেশ্য এখনো পরিষ্কার না হলেও ধারণা করা হচ্ছে, হামলাকারী একাই পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করেছে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালেও এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এক স্নাতকধারী সাবেক শিক্ষার্থী লাইব্রেরিতে গুলি চালিয়ে তিনজনকে আহত করেছিল। বারবার এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

More articles

Latest