
বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বিশেষ অনুমতি ছাড়াই কুয়েতের ভিসা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেনের বরাত দিয়ে উপদেষ্টা এ তথ্য দিয়েছেন।
গত ১৮ মে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে সজীব ভূঁইয়া লিখেছেন, “বিশেষ অনুমতি ছাড়াই বাংলাদেশিরা এখন কুয়েতের ভিসা পাচ্ছেন। গত এক সপ্তাহ ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না পেলেও বাস্তবে এমনটি ঘটছে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভিসা প্রক্রিয়া নিয়ে প্রতারণা ঠেকাতে রাষ্ট্রদূত কুয়েত প্রবাসীদের সতর্ক করেছেন এবং দালালচক্রের মাধ্যমে আবেদন না করার পরামর্শ দিয়েছেন।
সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রদূত সৈয়দ তারেক হোসেন বলেন, “যেসব ভিসা আমরা সত্যায়িত করি, সেগুলোর জন্য নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমাদের দূতাবাসের চুক্তি থাকে। আমরা নিশ্চিত করি, বাংলাদেশি কর্মীরা কুয়েতে এসে যেন বেতন, আবাসন, চিকিৎসা ও ছুটি সংক্রান্ত সব অধিকার পান।”
তিনি আরও বলেন, “অনুগ্রহ করে দালালদের মাধ্যমে নয়, বরং দূতাবাস নির্ধারিত বৈধ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভিসা আবেদন করুন। এতে প্রতারণা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে এবং প্রবাসজীবন হবে নিরাপদ ও সম্মানজনক।”
রাষ্ট্রদূত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, কুয়েতে কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশিদের অবশ্যই নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দূতাবাস অনুমোদিত চুক্তি যাচাই করতে হবে। পাশাপাশি নিশ্চিত হতে হবে প্রাপ্ত সুবিধা—যেমন বেতন, আবাসন, চিকিৎসা ও ছুটির শর্তাবলি—সম্পর্কে।























