
জার্মানির সরকার ইউরোপীয় আশ্রয় নীতির নিয়মগুলো কঠোরভাবে প্রয়োগ করার প্রস্তাব করেছে, যার মাধ্যমে সীমান্তে আরও বেশি মানুষকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। এই পরিকল্পনা জার্মানির ভূমি সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার একদিন পরেই আসে। মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ন্যান্সি ফেজার বলেন, “আমরা চাই অন্য কোন ইউরোপীয় দেশের দায়িত্বে থাকা মানুষদের সেখানে ফেরত পাঠানো হোক।” এই প্রস্তাব মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউক্রেন থেকে আসা বিপুল সংখ্যক আশ্রয়প্রার্থীর চাপ মোকাবিলা করার লক্ষ্যে করা হয়েছে।
জার্মানির এই কঠোর অবস্থান ইতিমধ্যে অন্যান্য ইউরোপীয় দেশগুলোর সাথে সম্পর্ককে নতুন করে পরীক্ষা করছে। পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক এবং অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর কার্ল নেহামার জার্মানির নতুন এই নীতির সমালোচনা করেছেন। তাদের মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ আশ্রয়প্রার্থী প্রবাহকে অন্য দেশের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
এদিকে, জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ শলজের জোট সরকার এই প্রস্তাবগুলিকে দ্রুত বাস্তবায়ন করার জন্য আঞ্চলিক সরকারের সাথে আলোচনা করার ইচ্ছা পোষণ করেছে। দেশটির অভ্যন্তরীণ সেবা এবং নিরাপত্তা রক্ষা করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রস্তাব বাস্তবায়নের ফলে আশ্রয়প্রার্থীদের সংখ্যা কমাতে খুব একটা প্রভাব ফেলবে না।























