Google search engine

কমলা এবং ট্রাম্পের ভাগ্য নির্ধারণ করবে যে ৭টি অঙ্গরাজ্য

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে গণভোট নয়, বরং ‘ইলেকটোরাল কলেজ’ পদ্ধতিতে বিজয়ী নির্ধারিত হয়। এই পদ্ধতিতে ৫০টি অঙ্গরাজ্য থেকে নির্বাচিত ৫৩৮ জন ইলেক্টর ভোটের মাধ্যমে ঠিক করেন কে হবেন পরবর্তী প্রেসিডেন্ট। প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের জনসংখ্যার ভিত্তিতে ইলেক্টর সংখ্যা নির্ধারিত হয়, ফলে ক্যালিফোর্নিয়া সর্বাধিক ৫৪টি এবং ভারমন্টে সর্বনিম্ন তিনটি ইলেক্টরাল ভোট থাকে।

সাধারণত ‘উইনার টেকস অল’ নিয়মে, অধিকাংশ অঙ্গরাজ্যে যে প্রার্থী সর্বাধিক ভোট পান, তিনি সেই রাজ্যের সবকটি ইলেক্টরাল ভোট নিজের দখলে নেন। তবে মেইন ও নেব্রাস্কায় ব্যতিক্রম হিসেবে ইলেক্টরাল ভোট বিভক্ত করা হয়।

একটি প্রার্থীকে জয়লাভ করতে অন্তত ২৭০ ইলেক্টরাল ভোট অর্জন করতে হয়। প্রতি নির্বাচনে কিছু নির্দিষ্ট রাজ্যে প্রায় একই ফলাফল পাওয়া গেলেও, কিছু অঙ্গরাজ্যে ফলাফল ঘনঘন বদলায়। এসব দোদুল্যমান রাজ্য বা ‘সুইং স্টেট’ এ বছরও নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দিতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। বার্তা সংস্থা এএফপি এমন সাতটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যের তালিকা করেছে, যেগুলোর ফলাফল এবারের নির্বাচনে ব্যবধান গড়ে দিতে পারে।

১. পেনসিলভানিয়া (১৯ ইলেকটোরাল ভোট)

শেষ দুই নির্বাচনে পেনসিলভানিয়ায় জয়ী প্রার্থীকেই প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। ২০১৬ সালে ট্রাম্প ও ২০২০ সালে বাইডেন খুব কম ব্যবধানে এই রাজ্যে জয় পান। তাই এখানেও এবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

২. জর্জিয়া (১৬ ইলেকটোরাল ভোট)

১৯৯২ সালের পর ২০২০ সালে প্রথমবারের মতো বাইডেন এই অঙ্গরাজ্যে জয়ী হন। তবে ট্রাম্পও এখানে সংখ্যালঘু ভোট টানার চেষ্টা করছেন এবং তার ওপর ফৌজদারি মামলার প্রভাবেও ভোটের ফলাফল পাল্টে যেতে পারে।

৩. নর্থ ক্যারোলিনা (১৬ ইলেকটোরাল ভোট)

নর্থ ক্যারোলিনায় সাধারণত রিপাবলিকান প্রার্থীরাই জয়ী হন। তবে এবার অভিবাসী ও সংখ্যালঘু ভোটারের সংখ্যা বাড়ায় ডেমোক্র্যাটদের জন্য সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

৪. মিশিগান (১৫ ইলেকটোরাল ভোট)

২০১৬ সালে ট্রাম্পের কাছে হিলারি ক্লিনটনের হার এবং ২০২০ সালে বাইডেনের জয় এই অঙ্গরাজ্যে প্রার্থীদের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ। আরব-আমেরিকান ভোটের ওপর নির্ভরশীল মিশিগানে এবারে আরব জনসংখ্যার মনোভাব গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

৫. অ্যারিজোনা (১১ ইলেকটোরাল ভোট)

বাইডেন ও ট্রাম্পের মধ্যে ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগিতার একটি স্থান হচ্ছে অ্যারিজোনা, যেখানে সীমান্ত নীতির ওপর জনমতের চাপে ট্রাম্প ও কমলা উভয়েই লড়াই করছেন।

৬. উইসকনসিন (১০ ইলেকটোরাল ভোট)

২০১৬ ও ২০২০ সালের নির্বাচনে এই রাজ্যে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট উভয়েই জয় পান। রিপাবলিকানরা এই রাজ্যে তাদের জাতীয় কনভেনশন করে ইতিমধ্যে রাজনৈতিক চাপ বাড়িয়েছে।

৭. নেভাদা (৬ ইলেকটোরাল ভোট)

২০০৪ সালের পর নেভাদায় কোনো রিপাবলিকান প্রার্থী জয়ী হননি। তবে ট্রাম্পের হিস্পানিক ভোটে জনপ্রিয়তা বাড়ায় এই রাজ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

More articles

Latest