
বাংলাদেশে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধের দাবিতে নব-নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাসভবন মার-এ-লাগো’র সামনে হিন্দু বেঙ্গলি সোসাইটি অব ফ্লোরিডা, ইউনাইটেড হিন্দুস ইউএসএ এবং বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান একাউন্সিল ইউএসএ- এই তিনটি সংগঠনের উদ্যোগে এক বিক্ষোভ মিছিল ও সভা অনুষ্ঠিত হয় ।
গত ২৭ ডিসেম্বর শুক্রবার আয়োজিত এ সভায় বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ক্রমবর্ধমান নিপীড়ন ও নির্যাতন, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর চলমান সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়।
বাংলাদেশি হিন্দু সোসাইটি ফ্লোরিডা শাখা এবং অন্যান্য ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সংগঠনের সহযোগিতায় এই মিছিলটি আয়োজিত হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা প্রায় একশ’ বিক্ষোভকারী এতে অংশগ্রহণ করেন।
এতে বক্তব্য রাখেন ড. দিলীপ নাথ, শ্যামল চক্রবর্তী, বিদ্যুৎ সরকার, শিবু চৌধুরী, ভারত মিত্র এবং আরও অনেকে।
বক্তারা বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের জন্য সরকারকে দায়ী করে ২০১১ সালের বিচারপতি শাহাবুদ্দিন কমিশনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এই ধরনের নিপীড়নের জন্য দায়ীদের বিচারের দাবি জানান।
বিক্ষোভের সময় বাংলাদেশ সরকারের কাছে বেশ কয়েকটি দাবি জানানো হয় যেগুলোর মধ্যে রয়েছে: হিন্দু পুরোহিত চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তি, সংখ্যালঘুদের জন্য পৃথক আইন প্রণয়ন এবং সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতার সুরক্ষা, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক অপরাধ প্রতিরোধে আইন পাস।
এছাড়াও, তারা বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য জরুরি আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান।
বক্তারা বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় সহায়তা করার জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে আবেদন জানান।
প্রতিবাদ সভায় হিন্দু বেঙ্গলি সোসাইটি অব ফ্লোরিডা’র পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন সভাপতি সঞ্জয় কুমার সাহা, সাধারণ সম্পাদক লিটন মজুমদার, সিনিয়র সহ-সভাপতি রমেশ কুণ্ডু, সাবেক সভাপতি সাধন সরকার, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি রতন মজুমদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মিল্টন মজুমদার ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অসীম রায়।























