
বাংলাদেশের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবির মর্যাদা দিয়ে সরকার সম্প্রতি একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এই প্রজ্ঞাপনে নজরুলের অবদান এবং তার প্রতি জাতির শ্রদ্ধাবোধ তুলে ধরা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনের বিবরণ
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৭২ সালের ২৪ মে কলকাতা থেকে কবিকে সপরিবারে ঢাকায় আনা হয় এবং তার বসবাসের জন্য ধানমন্ডির ২৮ নম্বর সড়কের একটি বাড়ি বরাদ্দ দেওয়া হয়।
- ১৯৭৬ সালের নাগরিকত্ব: কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করা হয় এবং একই বছর তাকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।
- জাতীয় মর্যাদায় সমাধিস্থল: কবির মৃত্যুর পর তাকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়।
- আইন প্রণয়ন: ২০১৮ সালে কবি নজরুল ইন্সটিটিউট আইন প্রণীত হয় যেখানে তাকে জাতীয় কবি হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
ঐতিহাসিক স্বীকৃতি
১৯২৯ সালের ১০ ডিসেম্বর কলকাতার এলবার্ট হলে নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু ও অন্যান্য বরেণ্য ব্যক্তিত্বের উপস্থিতিতে কবি নজরুলকে “জাতীয় কাণ্ডারি” এবং “জাতীয় কবি” হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
সরকারি প্রজ্ঞাপন প্রকাশ
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, স্বাধীন বাংলাদেশে কবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীরা বিভিন্ন সময়ে তাকে “জাতীয় কবি” আখ্যায়িত করেছেন। তবে সরকারিভাবে প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়নি।
অবশেষে, ১৯৭২ সালের ৪ মে থেকে কবিকে জাতীয় কবি ঘোষণা করে এই গেজেট প্রকাশের প্রস্তাব উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদিত হয়।























