Google search engine

গাজায় যুদ্ধবিরতিতে ইসরায়েল-হামাস

ইসরায়েল ও হামাস গাজায় যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি বিনিময়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

বিবিসি জানায়, বুধবার (১৫ জানুয়ারি) এই সমঝোতায় পৌঁছায় তারা। এর আগে কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতাকারীদের হামাস জানায় যে তারা গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুমোদন করেছে।

আলোচনা সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের বরাতে বিবিসি জানায়, কাতারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে হামাস ও পৃথকভাবে ইসরায়েলি আলোচকদের সঙ্গে বৈঠকের পর গাজায় যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তি চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে।

এর আগে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের খবর বলা হয়েছিল, চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার আগমুহূর্তে হামাস নতুন কিছু শর্ত জুড়ে দিয়েছে বিশেষ করে, মিসরের সীমান্ত সংলগ্ন ফিলাডেলফি করিডোরের বিষয়ে হামাসের দাবি।

এই আলোচনার সঙ্গে যুক্ত একজন জ্যেষ্ঠ আরব কূটনীতিক টাইমস অভ ইসরায়েলকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিসর শিগগিরই একটি যৌথ বিবৃতি জারি করে চুক্তিটির ঘোষণা দেবে।

এরপর কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান আল থানী দোহায় একটি সংবাদ সম্মেলন করবেন এবং চুক্তির বিস্তারিত তথ্য প্রদান করবেন বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।

নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে জিম্মি মুক্তির জন্য একটি চুক্তি হয়েছে। তারা শিগগিরই মুক্তি পাবে। ধন্যবাদ!

গাজার আল রেমালে ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ফিলিস্তিনি এম্বুলেন্স ও ঘরবাড়ি

গাজায় হামাস সরকারের মিডিয়া দফতর যুদ্ধবিরতি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরুর আগে কোথাও না যেতে স্থানীয়দের অনুরোধ জানিয়েছে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা বলেছে, মিডিয়া দফতর সম্মানিত নাগরিকদের অনুরোধ জানাচ্ছে যে তারা যেন যুদ্ধবিরতি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরুর আগে কোথাও না যান এবং যুদ্ধবিরতির সময় সম্পর্কে তথ্য শুধু আনুষ্ঠানিক সূত্র থেকে সংগ্রহ করেন।

ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার গাজা চুক্তি নিয়ে আলোচনায় অংশ নিতে তিনি তার ইউরোপ সফর সংক্ষিপ্ত করেছেন জানিয়ে বুধবার বলেন, “জিম্মি মুক্তি আলোচনা অগ্রগতির কারণে আমি নির্ধারিত কূটনৈতিক সফর সংক্ষেপ করেছি। আগামীকাল হাঙ্গেরিতে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল, তবে রাতেই আমি ইসরায়েলে ফিরছি।”

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন মার্কিন টেলিভিশন চ্যানেল সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, যুদ্ধবিরতি চুক্তি যেকোনো মুহূর্তে হতে পারে।

ব্লিঙ্কেন জানান, চুক্তির প্রথম ধাপে ইসরায়েল ও হামাস গোলাগুলি বন্ধ করবে, জিম্মি ও বন্দিদের মুক্তি শুরু হবে এবং গাজায় মানবিক সহায়তা সরবরাহ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, “এই প্রক্রিয়া ছয় সপ্তাহ ধরে চলবে। তবে এই সময়ের মধ্যে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে যাতে ইসরায়েল গাজা থেকে সম্পূর্ণ সেনা প্রত্যাহার করে, হামাস ফিরে না আসে এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা, শাসন এবং পুনর্গঠন নিশ্চিত করা যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

More articles

Latest