
ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র কানাডার পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করলে তার জবাবে পাল্টা পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত কানাডা। শুক্রবার কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেলোনি জলি এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
ওয়াশিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে মেলোনি বলেন, “ট্রাম্প যদি শুল্ক আরোপে অটল থাকেন, কানাডার হাতে পাল্টা জবাব দেওয়ার বিকল্প প্রস্তুত রয়েছে।” তিনি আরও আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, এটি হতে পারে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য যুদ্ধ।

পণ্যের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা
কানাডা ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করছে। এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এতে কানাডায় ব্যবহৃত ইস্পাত, টয়লেট, সিংক, কাচের সামগ্রী, ও কমলার শরবতের মতো পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে থাকা কানাডার মালিকানাধীন কর্মসংস্থানও হুমকির মুখে পড়তে পারে।
ট্রুডোর প্রতিশ্রুতি ও পদত্যাগ
বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ঘোষণা দিয়েছেন, “কানাডা ও এর জনগণকে রক্ষায় সরকার দৃঢ় অবস্থান নেবে।” তবে ক্রমবর্ধমান দ্রব্যমূল্য ও ট্রাম্পের শুল্ক পরিকল্পনার কারণে জনগণের ক্ষোভে তার পদত্যাগ ঘটে।
ট্রাম্পের নীতি ও প্রভাব
২০ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাওয়া ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর কানাডার পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। মেক্সিকো ও চীনা পণ্যের ওপরও শুল্ক আরোপের ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। অর্থনীতিবিদদের মতে, ট্রাম্পের এমন পদক্ষেপের প্রভাব পুরো মহাদেশের বাজারে ছড়িয়ে পড়বে এবং দুই দেশের নিরাপত্তা ও বাণিজ্য সম্পর্ক ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
অর্থনৈতিক সংকটের সম্ভাবনা
স্কটিয়া ব্যাংকের একটি পূর্বাভাস অনুযায়ী, সম্ভাব্য বাণিজ্য যুদ্ধের কারণে কানাডার জিডিপি শতকরা ৫ শতাংশের বেশি কমতে পারে। এতে বেকারত্ব ও মুদ্রাস্ফীতি উভয়ই বৃদ্ধি পাবে।























