
বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, প্রধানমন্ত্রী চাইলে তারা পদত্যাগ করবেন।
শনিবার (৩ আগস্ট) রাজধানী ঢাকায় সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।
বৈঠকের পর ঢাকাসহ চার জেলায় সান্ধ্য আইন শিথিলের সময় আরও দুই ঘণ্টা বাড়িয়ে রবিবার সকাল ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত করার ঘোষণা দেন তিনি যা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চলবে।
এসময় তার কাছে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে ঢাকার পরিস্থিতি তুলে ধরে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, আন্দোলনকারীরা সম্প্রতি আপনিসহ বেশ কয়েকজন মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছেন। এখন যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তা স্বাভাবিক রাখতে আপনারা পদ থেকে সরে দাঁড়িয়ে ‘স্যাক্রিফাইস’ করবেন কি না?
তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, “প্রয়োজন হলে সেরকম পরিস্থিতি যদি আসে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি মনে করেন, আমরা সব সময় দেশের জন্য কাজ করি সেটা করব।”
শনিবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমাবেশ থেকে ’সরকার পতনের এক দফা’ ঘোষণার বিষয়ে তিনি বলেন, ”এটা আর কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেই। ছাত্রদের আন্দোলনে নেই। রাজনৈতিক আন্দোলনে চলে গেছে। ছাত্রদের মিসলিড করে মিসগাইড করে ভুল বুঝিয়ে আন্দোলন অন্যদিকে নেওয়ার জন্য যারা প্রচেষ্টা নিছে তারাই এ কাজ করেছে।”
আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতায় মধ্যে ইউনিসেফের ‘৩২ শিশু নিহত’ হওয়ার তথ্যের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “শিশুর সংজ্ঞা সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করছেন না। শিশুর একটা সংজ্ঞা আছে। ১৮ বছরকে শিশু বলে না, তাদের কিশোর বলে। কোনো শিশু মারা যায়নি। শিশু বলতে আমরা যা বুঝি, সেই শিশু মারা যায়নি। হয়ত দুই-একজন কিশোর মারা গেছে। আন্দোলনের সময় তাদের ঢাল হিসেবে নিয়ে এসেছিল। তাদের যে চেহারা, তা শিশুদের আড়ালেই তারা ছিল। পেছনের শক্তিটার কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে।”























