Google search engine

ম্যাকলাফলিন-লেভরোন: বিশ্ব রেকর্ড ভাঙার অবিশ্বাস্য যাত্রা

সিডনি ম্যাকলাফলিন-লেভরোন যেন বিশ্ব রেকর্ড ভাঙার মিশনে নেমেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের এই অ্যাথলেট মেয়েদের ৪০০ মিটার হার্ডলসে গতকাল নিজেরই গড়া বিশ্ব রেকর্ড ভেঙে সোনা জয় করেছেন। এটাই প্রথমবার নয়, ম্যাকলাফলিন-লেভরোন এর আগেও বহুবার নিজের রেকর্ড ভেঙেছেন, যার ফলে তিনি অলিম্পিকের ৪০০ মিটার হার্ডলসে টানা দুটি সোনা জয়ী প্রথম নারী হয়ে উঠেছেন। এবারের দৌড়ে তিনি ৫০.৩৭ সেকেন্ডে ফিনিশিং লাইনে পৌঁছান, যা তার পূর্ববর্তী রেকর্ডের চেয়ে আরও দ্রুত।

গত পাঁচ বছরে ৪০০ মিটার হার্ডলসে ম্যাকলাফলিন-লেভরোনকে কেউ হারাতে পারেনি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তিনি এই ডিসিপ্লিনে সর্বকালের সেরা অ্যাথলেটদের একজন হিসেবে নিজের জায়গা পাকা করেছেন। তবে ম্যাকলাফলিন-লেভরোনের লক্ষ্য এখানেই থামছে না। তিনি এখন তার সময়কে ৫০ সেকেন্ডের নিচে নামিয়ে আনার জন্য কাজ করছেন। তার মতে, “পারফেক্ট রেস বলে কিছু নেই। সব সময়ই উন্নতির জায়গা থাকে।”

জয়ের পর ম্যাকলাফলিন-লেভরোন জাতীয় পতাকা গায়ে জড়িয়ে দর্শকদের অভিনন্দনের জবাব দেন। তার এই পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে মুকুট পরিয়ে দেওয়া হয়, যা তার ছয়টি বিশ্ব রেকর্ড ভাঙার জন্য দারুণভাবে প্রাসঙ্গিক। তিনি প্রথম নারী অ্যাথলেট হিসেবে ৪০০ মিটার হার্ডলসে ৫২ সেকেন্ড এবং ৫১ সেকেন্ডের কম সময়ের মধ্যে দৌড়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ফেমকে বোল, যিনি তিনবারের মিটে ম্যাকলাফলিন-লেভরোনের সঙ্গে প্রতিবারই হেরেছেন, এইবারও ব্রোঞ্জ জিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়।

ম্যাকলাফলিন-লেভরোনের জন্য দৌড় একটি পারিবারিক ঐতিহ্য। তার বাবা উইল ম্যাকলাফলিনও ৪০০ মিটার হার্ডলসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেছেন এবং মা মেরি ম্যাকলাফলিনও ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে প্রতিযোগিতা করেছেন। ১৭ বছর বয়সে রিও অলিম্পিকে সাফল্যের খোঁজে যাত্রা শুরু করা ম্যাকলাফলিন-লেভরোন এখন অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন। তার পেশাদার জীবনের লক্ষ্য এখন লস অ্যাঞ্জেলেসে ২০২৮ অলিম্পিকে তৃতীয় সোনা জয় করা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

More articles

Latest