
চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তার চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়েছেন, এমন অভিযোগ আগেও উঠেছিল। ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ইলিয়াস কাঞ্চন সভাপতি এবং জায়েদ খান সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হন। কিন্তু পরাজয় মেনে নেননি নিপুণ আক্তার। পরে আদালতের রায়ে সাধারণ সম্পাদক পদে বসেন তিনি।
সূত্র মতে, নির্বাচনের রাতে নির্বাচন কমিশনারদের উপর প্রচণ্ড চাপ আসে। জায়েদ খান ভোটে এগিয়ে থাকায় ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক ব্যক্তিরা ভয়ভীতি দেখাতে থাকেন। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ সেলিম। জানা যায়, শেখ সেলিম নিপুণকে জয়ী করতে ১৭ বার ফোন করেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার পিরজাদা হারুন বলেন, তিনি পাঁচবার নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেছেন, কিন্তু ২০২২ সালের নির্বাচনে তাঁর উপর প্রচণ্ড চাপ প্রয়োগ করা হয়। তাঁকে ভয় দেখিয়ে বড় অঙ্কের টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার চালানো হয় এবং এফডিসিতে নিষিদ্ধ করা হয়।
২০২৪ সালের নির্বাচনে মিশা সওদাগর সভাপতি এবং ডিপজল সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হন। নির্বাচনের পর নিপুণ প্রথমে বিজয়ীদের স্বাগত জানালেও পরে উচ্চ আদালতে রিট করেন। এরপরও তিনি শিল্পী সমিতির প্যাড ব্যবহার করে বিবৃতি দেন, যা নিয়ে বর্তমান কমিটির সদস্যরা প্রশ্ন তোলেন।
নিপুণের সঙ্গে শেখ সেলিমের পরিচয় ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর হয়। ২০১২ সালে বনানীতে তাঁর পারলার উদ্বোধন করতে আসেন শেখ সেলিম, যা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছিল। তবে, এই ঘটনায় নিপুণের প্রতিক্রিয়া জানতে তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
























