
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েত বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি কর্মী নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কুয়েতে নিযুক্ত বিদায়ী রাষ্ট্রদূত মঙ্গলবার এই ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানান, কুয়েত এবং বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নয়নের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ থেকে নতুন কর্মী নিয়োগ করা হবে।
রাষ্ট্রদূত ফয়সাল মুতলাক আলআদওয়ানি আজ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতে প্রধান উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত ফয়সালের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং তাকে বাংলাদেশের একজন চমৎকার বন্ধু হিসেবে অভিহিত করেন। ড. ইউনূস আশা করেন, ভবিষ্যতে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের প্রতি তার অবদান অব্যাহত রাখবেন।
বিদায়ী রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, কুয়েতে বর্তমানে ৩ লাখের বেশি বাংলাদেশি কর্মী রয়েছেন। কুয়েত এখন আরও বেশি চিকিৎসক, নার্স এবং প্রকৌশলী নিয়োগ করতে চায়। তিনি বলেন, ৫ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি সেনা কুয়েতে বিভিন্ন সেবা প্রদান করছেন।
কুয়েতি রাষ্ট্রদূত প্রধান উপদেষ্টার সাথে আলোচনা করেছেন অর্থনীতি, প্রতিরক্ষা, রোহিঙ্গা সংকট, ফিলিস্তিন ইস্যু এবং জ্বালানি বিষয়ে। প্রধান উপদেষ্টা কুয়েত সরকারের মানবিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান এবং দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি ও বিনিয়োগে আরও বেশি অংশীদারিত্বের সুযোগ খোঁজার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উল্লেখ্য, কুয়েতের পুনর্গঠনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অনেক অবদান রয়েছে। ১৯৯১ সালে উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় ইরাকের আক্রমণের পর থেকে কুয়েত রক্ষায় বাংলাদেশের ৫ হাজারের বেশি সেনা এখনও কাজ করছেন। দক্ষিণে সৌদি আরব এবং উত্তরে ইরাকবেষ্টিত মরুভূমির ১৮,৭৮২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের তেলসমৃদ্ধ ধনী দেশ কুয়েত।























