Google search engine

ডাচদের হারিয়ে ইউরোর ফাইনালে ইংলিশরা

ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে ২-১ গোলে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠল ইংল্যান্ড। বুধবার রাতে জার্মানির ডর্টমুন্ডে এ জয় পেয়ে ফাইনালে উঠে গতবারের রানার্সআপরা।

নেদারল্যান্ডসের শাভি সিমন্সের গোলে পিছিয়ে পড়ার পর দলের পক্ষে গোল করে খেলায় সমতা আনেন ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন। আর শেষ দিকে ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করেন ওয়াটকিন্স।

শিরোপা লড়াইয়ে ইংল্যান্ডকে মুখোমুখি হতে হবে স্পেনের।

আগের দিন প্রথম সেমি-ফাইনালে ফ্রান্সকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছায় লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল স্পেন। আগামী রবিবার স্পেন ও ইংল্যান্ডের মধ্যে ফাইনাল হবে বার্লিনে।

তরুণ মিডফিল্ডার সিমন্সের অসাধারণ নৈপুণ্যে দুর্দান্ত শুরু করে ডাচরা। ডেকলান রাইসের থেকে বল কেড়ে নিয়ে, কিছুটা এগিয়ে বক্সের বাইরে থেকে শট নেন সিমন্স। ওই শট ইংলিশ গোলরক্ষক ঠেকাতে না পারায় ১-০ গোলে এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। আন্তর্জাতিক ফুটবলে ২১ বছর বয়সী সিমন্সের এটা দ্বিতীয় গোল।

এর মিনিট পাঁচেক পরই দূরপাল্লার শটে কেইন গোল করার চেষ্টা করলেও সেটা ঠেকিয়ে দেন বার্ট ভেরব্রুখেন। দুই মিনিটের মাথায় বক্সে বল পেয়ে উড়িয়ে মারেন তিনি। কেইন শট নিতে যাচ্ছেন দেখে পা বাড়িয়ে দেন ডেনজেল ডামফ্রিস, শট নেওয়ার পরমুহূর্তে তার পায়ে লেগে প্রচণ্ড ব্যথা পান ইংলিশ অধিনায়ক। ভিএআর মনিটরে দেখে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি আর সেই সাথে ডামফ্রিসকে দেখান হলুদ কার্ডও।

পেনাল্টিতে খেলায় ১-১ গোলের সমতা আনেন কেইন। চলতি আসরে এটা নিয়ে তার ঝুড়িতে এখন তিনটি গোল।

দ্বিতীয়ার্ধের ৭৯তম মিনিটে পাল্টা আক্রমণে বুকায়ো সাকা ডাচদের জালে বল পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোল হয়নি।

তারপর নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে ডান দিক থেকে পালমারের পাস বক্সে ধরে, ডিফেন্ডারের বাধা এড়িয়ে কোনাকুনি শটে বলকে নেদারল্যান্ডসের জালে জড়িয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন ওয়াটকিন্স।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

More articles

Latest