
প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এবং পাঠাও-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন তার ব্যক্তিগত সহকারী টাইরেস হাসপিল। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানহাটনের একটি আদালত তাকে ৪০ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছেন।
বার্তা সংস্থা এপির তথ্যমতে, ফাহিম সালেহ বাংলাদেশে রাইড-শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাওয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং নাইজেরিয়াভিত্তিক মোটরবাইক স্টার্টআপ গোকাদার প্রধান নির্বাহী ছিলেন। ২০২০ সালের জুলাই মাসে ম্যানহাটনে নিজ অ্যাপার্টমেন্টে নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন তিনি।
ফাহিমের ব্যক্তিগত সহকারী হাসপিল হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে গ্রেপ্তার হন, এবং তদন্তের পর প্রমাণিত হয় যে, তিনি একাধিক অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ম্যানহাটনের জেলা অ্যাটর্নির অফিস থেকে জানানো হয়েছে, ফাহিমের কাছ থেকে চার লাখ ডলার চুরি এবং অন্যান্য গুরুতর অপরাধে ২৫ বছর বয়সী টাইরেস হাসপিলকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
প্রসিকিউটররা জানান, ফাহিম সালেহ বুঝতে পারেন যে তার কাছ থেকে নগদ অর্থ চুরি করা হচ্ছে, এবং বিষয়টি মীমাংসার জন্য হাসপিলকে দুই বছর সময় দেন। কিন্তু হাসপিল চুরি করা বন্ধ না করে, ফাহিমের ওপর ফৌজদারি মামলা আসতে পারে এমন আশঙ্কায় তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
২০২০ সালের ১৩ জুলাই হাসপিল ফাহিমকে হত্যা করেন এবং পরের দিন একটি বৈদ্যুতিক করাত দিয়ে তার মরদেহ টুকরো করার উদ্দেশ্যে অ্যাপার্টমেন্টে ফিরে আসেন। তবে করাতের ব্যাটারি শেষ হয়ে গেলে, চার্জার কিনতে বাইরে যান। এরই মধ্যে ফাহিমের চাচাতো ভাই অ্যাপার্টমেন্টে এসে ফাহিমের ছিন্নভিন্ন মরদেহ আবিষ্কার করেন। এই ঘটনার কয়েকদিন পর পুলিশ হাসপিলকে গ্রেপ্তার করে।























