
গুমসংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারি আয়নাঘর সম্পর্কে গুম থেকে ফেরা ব্যক্তিদের বক্তব্যের সঙ্গে বেশ কিছু মিল পেয়েছে। তদন্তে দেখা গেছে, ডিজিএফআই-এর অধীন আয়নাঘরের অনেক আলামত ইতোমধ্যেই নষ্ট করা হয়েছে।
কমিশনের সভাপতি, অবসরপ্রাপ্ত হাইকোর্ট বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী জানান, রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায় বা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দ্বারা গুম হওয়া ব্যক্তিদের অভিযোগগুলো নিয়ে তারা কাজ করছেন। ৪০০টির বেশি গুমের অভিযোগ জমা পড়েছে, যার মধ্যে র্যাব, ডিজিএফআই, ডিবি ও সিটিটিসির বিরুদ্ধে সর্বাধিক অভিযোগ রয়েছে। কমিশনের সদস্যরা ডিজিএফআইয়ের আয়নাঘর পরিদর্শন করেছেন এবং ভুক্তভোগীদের বর্ণনার সঙ্গে মিল পেয়েছেন, তবে দেয়ালের গুরুত্বপূর্ণ লেখাগুলো মুছে ফেলা হয়েছে।
কমিশন জানিয়েছে, তারা সব পক্ষের বক্তব্য শুনবে এবং অভিযুক্তদের সমন পাঠিয়ে উপস্থিত থাকতে বলবে। প্রাথমিক তদন্তের সময়সীমা ১০ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে, এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রমাণ নষ্ট না করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।























