
সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও তাদের স্বাধীনভাবে ধর্মচর্চার বিষয়টি অভ্যন্তরীণ। এ নিয়ে অন্য দেশের মন্তব্য ‘সমীচিন নয়’ বলে ঢাকা সফররত ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রির কাছে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব জসীম উদ্দিন।
দুই দেশের মধ্যে আস্থা ফেরাতে বাংলাদেশ সম্পর্কে নেতিবাচক প্রচারণা বন্ধে ভারতের ভূমিকার প্রত্যাশার কথাও বলেন তিনি।
ভারতের সঙ্গে পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক ‘ফরেন অফিস কনসালটেশন’ (এফওসি) শেষে বিফ্রিংয়ে কথাগুলো বলেন তিনি।
পররাষ্ট্র সচিব জসীম উদ্দিন বলেন, “বাংলাদেশে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাই স্বাধীনভাবে ধর্ম চর্চা করে আসছে। এ বিষয়ে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি এবং অপপ্রচারের সুযোগ নেই ।”
আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে বক্তব্য ও পাল্টা বক্তব্যের মধ্যে এটিই প্রথম উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক। সর্বশেষ বৈঠক হয় ২০২৩ সালের নভেম্বরে, ভারতের রাজধানী দিল্লিতে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জসীম উদ্দিন বলেন, “বাংলাদেশে জুলাই-আগস্ট বিপ্লব এবং বিপ্লব-পরবর্তী সংখ্যালঘুদের প্রতি কথিত বৈরী আচরণ নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে অপপ্রচার, মিথ্যা তথ্য এবং বিভ্রান্তিকর বয়ান রয়েছে, সেই বিষয়ে আমরা ভারত সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপের অনুরোধ জানিয়েছি। সেই সাথে আমরা এও বলেছি যে এটি আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অন্য দেশের মন্তব্য সমীচিন নয়। আমি এও স্মরণ করিয়ে দিয়েছি যে বাংলাদেশ অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য থেকে বিরত থাকে এবং অন্যান্য দেশেরও একই ধরনের শ্রদ্ধাবোধ আমাদের প্রতি দেখানো উচিৎ।”























