
বাংলা ভাষায় লেখাকে সহজতর করতে অবিস্মরণীয় অবদানের জন্য এ বছর একুশে পদক পাচ্ছেন অভ্র কি-বোর্ডের উদ্ভাবক মেহেদী হাসান খান।
২০০৩ সালে ইউনিকোড ও এএনএসআই সমর্থিত বাংলা লেখার জন্য ফ্রি ও ওপেন সোর্স সফটওয়্যার অভ্র কি-বোর্ড তৈরি করেন তিনি। তাঁর উদ্ভাবিত অভ্র সফটওয়্যারের কারণে কম্পিউটারে বাংলা লেখা সহজ হয়েছে। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পর্যন্ত সবাই অভ্র ব্যবহার করছে। ওপেন সোর্স প্রকৃতি এবং কাস্টম লেআউট সুবিধার জন্য অভ্র দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠে।
অভ্র কী-বোর্ডের জন্য ২০১১ সালে মেহেদী হাসান খান তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিশেষ অবদানের জন্য বেসিস পুরস্কার পান।
অভ্র উদ্ভাবক মেহেদী হাসান খান রাজধানী ঢাকার আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মাধ্যমিক এবং নটর ডেম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি লাভ করেন।
আজ বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে একুশে পদকের জন্য মনোনীত ১৪ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তাঁর নামও ঘোষণা করা হয়।
এ বছর মেহেদী হাসান খান ছাড়া অন্য যারা একুশে পদক পাচ্ছেন তারা হলেন আজিজুর রহমান (মরণোত্তর)—শিল্পকলা (চলচ্চিত্র); উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর)—শিল্পকলা (সংগীত); ফেরদৌস আরা—শিল্পকলা (সংগীত); নাসির আলী মামুন—শিল্পকলা (আলোকচিত্র); রোকেয়া সুলতানা—শিল্পকলা (চিত্রকলা); মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)—সাংবাদিকতা; মাহমুদুর রহমান—সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার; ড. শহীদুল আলম—সংস্কৃতি ও শিক্ষা; ড. নিয়াজ জামান—শিক্ষা; মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)—সমাজসেবা; হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)—ভাষা ও সাহিত্য; শহীদুল জহির (মো. শহীদুল হক) (মরণোত্তর)—ভাষা ও সাহিত্য; মঈদুল হাসান—গবেষণা।























