
আজ পহেলা বৈশাখ, নতুন বাংলা বছরের প্রথম দিন। উৎসব-আনন্দের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে বাংলা ১৪৩২ সাল।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শোভাযাত্রা সহ নানা রঙিন আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে উদযাপিত হচ্ছে দিনটি।
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশী প্রবাসীদের উদ্যোগেও আয়োজন করা হচ্ছে নানা অনুষ্ঠান।
বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে প্রতি বছরের মতো এবারও সকাল ৯টায় বের হয় শোভাযাত্রা।
সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খানসহ অনেকে এ শোভাযাত্রায় অংশ নেন।
আগের ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’-এর নাম পরিবর্তন করে এবার করা হয়েছে ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’।
এবার শোভাযাত্রায় ৭টি বড় মোটিফ, ৭টি মাঝারি মোটিফ এবং ৭টি ছোট মোটিফ অংশ নেয়। এছাড়া ছোট, বড়, মাঝারি অসংখ্য শিল্পকর্ম দেখা যায়।
এসব মোটিফের মধ্যে ছিল তরমুজের ফালি, বাঘ, ইলিশ, শান্তির পায়রা ও পালকি। এছাড়া ৩৬ জুলাই টাইপোগ্রাফি আর পানির বোতলের মোটিফ মনে করিয়ে দেয় জুলাই আন্দোলনে নিহত মুগ্ধের কথা।
শোভাযাত্রায় অংশ নেয় বাংলাদেশ মিউজিক্যাল ব্যান্ড অ্যাসোসিয়েশন (বামবা)। এছাড়া কৃষককে গুরুত্বপূর্ণ থিম হিসেবে তুলে ধরা হয় শোভাযাত্রায়। শোভাযাত্রায় নবপ্রাণ আন্দোলনের তত্ত্বাবধানে সাধু ও বাউলদের অংশগ্রহণ, নারী ফুটবলাররাও অংশগ্রহণ করে।
শোভাযাত্রায় ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদ জানাতে তরমুজের ফালি রাখার কথা জানান আয়োজন সংশ্লিষ্টরা কারণ তরমুজ ফিলিস্তিনিদের কাছে ‘প্রতিরোধ ও অধ্যবসায়ের প্রতীক’।
গত শতকের আশির দশকে পহেলা বৈশাখে চারুকলা শুরু হওয়া এ শোভাযাত্রা ২০১৬ সালে ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতিও পায়।
আজকের শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদের সামনে শুরু হয়ে শাহবাগ মোড় ঘুরে টিএসসি মোড়, শহীদ মিনার, শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র, দোয়েল চত্বর হয়ে বাংলা একাডেমির সামনের রাস্তা দিয়ে পুনরায় চারুকলা অনুষদে গিয়ে শেষ হয়।
শোভাযাত্রায় এবছর ২৮টি জাতিগোষ্ঠী, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন দেশের অতিথিরা অংশ নিয়েছেন।























