
যেকোনো মুহূর্তে বন্ধ হয়ে যেতে পারে মোবাইলে ইন্টারনেট সেবা। টেলিযোগাযোগ সূত্রগুলো বলছে সরকারের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে ফোরজি সেবা বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সবগুলো মোবাইল অপারেটরকে।
যদিও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তের পরিষ্কারভাবে কথা জানা যায়নি। আইএসপিগুলোকে ইন্টারনেট সরবরাহকারী আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট গেটওয়েগুলো এখন পর্যন্ত কোন নিয়ন্ত্রণের নির্দেশনা পায়নি বলে বিভিন্ন সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এই পরিস্থিতিতে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।























