
পঞ্চগড়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের খবর পাওয়ার পরপরই বিজয় মিছিল বের করে আন্দোলনকারীরা। জেলা শহরে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। দুপুর থেকে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতাদের বাড়িঘরে ও সরকারি দপ্তরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
বিকেলে জেলার ময়দানদিঘি এলাকায় সাবেক রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলামের বাড়ি, পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য নাঈমুজ্জামান ভূঁইয়ার বোদা পৌরসভার সাতখামার এলাকা এবং পঞ্চগড় সদরের কাজীপাড়া এলাকার দুটি বাড়িতে হামলা চালানো হয়। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের বাড়িতেও অগ্নিসংযোগ করেছেন বিক্ষুব্ধ জনতা। বোদা প্রেসক্লাব, পঞ্চগড় পৌরসভার কাউন্সিলর আরিফ হোসেন, পঞ্চগড় সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান শেখ, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম হুমায়ূন কবীর এবং জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদমান সাকিব পাটোয়ারীর বাড়িতেও ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।
এছাড়া বোদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক আলম, বোদা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অমিয় আলম, এবং বোদা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলমের বাড়িতেও হামলা চালানো হয়েছে।
বিকেলে পঞ্চগড়ের জেলা শহরের উপকণ্ঠে আহম্মদনগর ও শালশিরি এলাকায় আহমদিয়া সম্প্রদায়ের অন্তত অর্ধশত বাড়িঘরে হামলা করে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এতে আহমদিয়া সম্প্রদায়ের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা।

এদিকে, বিকেলে তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দপ্তর ও সরকারি বাসভবনে ভাঙচুর করা হয়েছে। ইউএনও ও সহকারী কমিশনারের (ভূমি) দুটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।























