
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের বিচার করা হবে। রোববার তথ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রথম মতবিনিময় সভায় তিনি এ আশ্বাস দেন। সভায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সংস্কার নিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, “গণমাধ্যমকে দল-নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হবে। আমরা একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের পরিকল্পনা করছি, যা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে। এছাড়া সাংবাদিকদের মধ্যে দলাদলি দূর করে নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার প্রচলন চাই আমরা।”
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, “গণমাধ্যমকর্মী আইনসহ সংশ্লিষ্ট আইনের যেসব জায়গায় সমস্যা রয়েছে, সেগুলো সংস্কার করা হবে। একইসঙ্গে সেন্সর বোর্ড পুনর্গঠন করা হবে। মন্ত্রণালয় সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে সহায়তা করবে এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হবে।”
তথ্য উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বেতন কাঠামো পর্যালোচনা এবং নতুন কাঠামো নির্ধারণের পরিকল্পনার কথাও জানান। তিনি বলেন, “সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে উপযুক্ত বেতন কাঠামো নির্ধারণ করা হবে। মন্ত্রণালয়ের অধীনে সব সংস্থার সেন্সর বোর্ড ও জুরি বোর্ডের কমিটি ভেঙে পুনর্গঠন করা হবে।”
সেন্সর বোর্ডে আটকে থাকা চলচ্চিত্রসমূহ দ্রুত মুক্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, “নিবর্তনমূলক আইন, যা গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বাধা দেয়, সেগুলো পুনর্বিবেচনা করা হবে। এছাড়া ‘জুলাই গণহত্যা’ নিয়ে সাংবাদিকদের সঠিক তদন্তে সহায়তা করার আহ্বান জানান তিনি।”
মতবিনিময় সভার শুরুতে ‘জুলাই গণহত্যা’তে শহীদদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।























