Google search engine

আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ

কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পানি ছাড়া শুরু হবে শনিবার রাত ১০টায়

গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে রাঙামাটি পার্বত্য জেলার কাপ্তাই হ্রদে পানি বেড়ে সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা বা বিপদসীমার কাছাকাছি এসে পৌঁছেছে।

কাপ্তাই হ্রদের পানি বেড়ে যাওয়ায় আজ শনিবার (২৪) রাত ১০টায় কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্পিলওয়ের ১৬টি গেইট খুলে দেওয়া হবে।

এজন্য আজ দুপুর ৩টায় এক ‘জরুরি বার্তা’ জারি করেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড।

আজ দুপুর ৩টা পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদে পানির উচ্চতা ছিল ১০৭.৬৬ ফুট এমএসএল (মিন সি লেভেল)। এটির সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল।

এই বার্তায় বলা হয়, কাপ্তাই হ্রদে পানির উচ্চতা আজ দুপুর ৩টায় ১০৭.৬৬ ফুট এমএসএল বিপদসীমার কাছাকাছি হওয়ায় হ্রদের উজান ও ভাটি এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণে আজ রাত ১০টায় কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্পিলওয়ের ১৬টি গেইট ৬ ইঞ্চি তুলে পানি নিষ্কাশন করা শুরু হবে। পানির উচ্চতা আরো বৃদ্ধি পেলে গেইটগুলো আরো বেশি খোলা হবে।

এদিকে, কাপ্তাই হ্রদের পানি বাড়ায় দেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদনও বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রে দৈনিক ৫টি ইউনিটে সর্বোচ্চ ২১৯ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। এ কারণে ৩২ হাজার সিএফএস (কিউবিক ফুট পার সেকেন্ড) পানি নিষ্কাশিত হচ্ছে।

কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানায়, কেন্দ্র থেকে নিষ্কাষিত পানি কর্ণফুলী নদীতে ফেলা হবে। ফলে পানির উচ্চতা কিছুটা বাড়তে পারে। তবে, ৯ হাজার সিএফএস পানি খুব বেশি প্রভাব ফেলবে না বলে জানানো হয়। পানির চাপ বাড়লে পানি ছাড়ার পরিমাণও বাড়তে পারে। যদি সেটা কয়েক ফুট হয় তাহলে চট্টগ্রামে এর প্রভাব পড়বে । তবে, আপাতত যে পরিমাণ পানি ছাড়ার কথা বলা হচ্ছে সেটাতে লোকালয়ে প্রভাব পড়বে না।
কেন্দ্রের এক কর্মকর্তা জানান, পানি ছাড়ার সিদ্ধান্ত এত তাড়াতাড়ি নেওয়া হয়েছে যাতে মানুষ আতংকিত না হয়। যদি রাতে পরিস্থিতি অনুকূলে থাকে তাহলে সিদ্ধান্ত কিছুটা পরিবর্তনও করা হতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

More articles

Latest