
রাওয়ালপিন্ডিতে স্বাগতিক পাকিস্তানকে ১০ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ। টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের এটিই প্রথম ১০ উইকেটে জয়। এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৩ টেস্ট খেলে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ছিল ২০১৫ সালের খুলনা টেস্ট ড্র। ১৪তম টেস্টে এসে বাংলাদেশ পেল ঐতিহাসিক জয়। পাকিস্তান নবম প্রতিপক্ষ, যাদের টেস্টে হারাল বাংলাদেশ। বাকি থাকলো শুধু ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা। দেশের বাইরে বাংলাদেশের এটি মাত্র সপ্তম জয়, সব মিলিয়ে ২০তম। বাংলাদেশের বোলাররা পাকিস্তানকে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪৬ রানে অলআউট করে।

চতুর্থ দিনে মুশফিকুর রহিমের ১৯১ রান বাংলাদেশের বোলিং ইউনিটকে আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছিল। পঞ্চম দিনে পাকিস্তানকে ১৪৬ রানে অলআউট করে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত হলো। পাকিস্তান ঘরের মাঠে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ থেকে একটি টেস্টও জিততে পারেনি। অন্যদিকে, বিদেশে বাংলাদেশের এই জয় তাদের জন্য একটি বিরল অর্জন, যেহেতু গত সাত বছরে তারা বিদেশে মাত্র দুটি টেস্ট জয়লাভ করেছে।

শেষ দিনে বাংলাদেশের পেসাররা তিনটি এবং স্পিনাররা বাকি সাতটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেন। তরুণ পেসার নাহিদ রানা ১৫০ কি.মি./ঘণ্টা গতিতে বল করে বাবর আজমকে আউট করেন, সাকিব স্টাম্প-টু-স্টাম্প লাইন এবং মিরাজ তার অফ-ব্রেক দিয়ে পাকিস্তানকে চাপে রাখেন।

জয়ের জন্য পাকিস্তান বাংলাদেশকে মাত্র ৩০ রান করার লক্ষ্য দেয়, যা বাংলাদেশ সহজেই ৬.৩ ওভারে চেজ করে ফেলে। প্রথম সেশনে বাংলাদেশের পেস বোলিং পাকিস্তানের ব্যাটারদের চাপের মধ্যে রেখেছিল। পর পর সাইম আয়ুব এবং শান মাসুদ আউট হন এবং বাবর আজমের ক্যাচ মিস হয়। তবে, নাহিদ রানা তার উচ্চ গতির বল দিয়ে বাবর আজমকে পরে আউট করেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ: ৫৬৫ ও ৩০/০ (জাকির ১৫*, সাদমান ৯*)
পাকিস্তান: ৪৪৮/৬ ডি. ও ১৪৬ (রিজওয়ান ৫১, শফিক ৩৭, বাবর ২২, মাসুদ ১৪; মিরাজ ৪/২১, সাকিব ৩/৪৪)
ফল: বাংলাদেশ ১০ উইকেটে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: মুশফিকুর রহিম।
সিরিজ: দুই ম্যাচ সিরিজে বাংলাদেশ ১–০ ব্যবধানে এগিয়ে।























