
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ অভিযোগ করেছেন, ‘আমাদের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। স্বাক্ষর নকল করে মামলা দায়ের করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণভাবে আমাদের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।’
বৃহস্পতিবার দুপুরে সেগুনবাগিচায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কার্যালয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহ উপস্থিত হন এবং দুদক চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎ শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা।
সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেন, ‘আমরা দুদককে জানিয়েছি যে, গত ১৬ বছরে ফ্যাসিস্ট সরকার যাদের পছন্দ হয়নি, তাদের মিথ্যে মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে। অনেকে পরিবার নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন, মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। জমিজমা নিয়েও এমন ঘটনা ঘটেছে। আমরা দুদককে অনুরোধ করেছি, যেন এমন অন্যায় আর না হয়, এবং কোনো রাজনৈতিক দল মিথ্যে মামলা দিয়ে কাউকে হয়রানি করতে না পারে।’
সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি যে, আমাদের নাম ব্যবহার করে কেউ অবৈধ উপায়ে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের আইনগত কোনো অধিকার নেই, কাউকে সুবিধা দেওয়ার বা নিজেরা সুবিধা নেওয়ার।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুদক তার নিজস্ব আইন অনুযায়ী চলবে। আমাদের নাম ব্যবহার করে কেউ যাতে অসাধু উপায়ে কোনো সুবিধা নিতে না পারে, সেই বিষয়টি স্পষ্ট করতে আমরা দুদকে এসেছি।’
একই দিন দুপুরে, দুদক কার্যালয়ের সামনে কয়েকজন দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দিন আবদুল্লাহর পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন করেন।























