
বাংলাদেশের গোপালগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এসএম জিলানীর গাড়িবহরে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের হামলায় এক কেন্দ্রীয় নেতা নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৫০ জন।
নিহত নেতা স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক শওকত আলী দিদার (৪০) বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ঘোনাপাড়া মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় কমপক্ষে ১০টি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়।
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন এসএম জিলানী, তার স্ত্রী গোপালগঞ্জ জেলা মহিলা দলের সভাপতি রওশন আরা রত্না, রাজু বিশ্বাস, মাহাবুব খান মুরাদ, লিন্টু মন্সী, গোপালগঞ্জের সালমান সিকদার, সুজন সিকদার, সবুজ সিকদার, ঢাকার মতিঝিল এলাকার নাসির আহমেদ মোল্লা, বাদশা মোল্লা, নিশান, হাসান, মাতুয়াইলের আলাউদ্দিন। তারা সহ ১৬ জনকে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ও তিনজনকে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অন্যরা স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন।
তাদের মধ্যে এসএম জিলানী ও তার স্ত্রী রওশন আরা রত্না এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বাদশার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এদিকে, এ ঘটনার সময় গোপালগঞ্জের সময় টিভির ক্যামেরাপারসন এইচএম মানিকের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়।
আহতদের মধ্যে মানিক ও ঘোনাপাড়া বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী ও আওয়ামী লীগের সমর্থক রোমান মোল্লা ছাড়া বাকিরা বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাকা ও গোপালগঞ্জের নেতাকর্মী বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, এসএম জিলানী’র গাড়িবহর ঘোনপাড়া অতিক্রম করার সময় বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত ব্যানার ছিঁড়ে পদদলিত করা হচ্ছিল। এটি জানিয়ে মাইকিং করা হলে স্থানীয়রা সংগঠিত হয়ে এটি প্রতিরোধ করে। তখন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনিচুর রহমান বলেন, “কেন এ ঘটনা ঘটেছে তা এখনও জানা যায়নি। তবে কেউ কেউ বলছেন, সেখানে ব্যানার টানাটানি নিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে।”
তিনি বলেন, “বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।”























