
বাংলাদেশকে শতভাগ শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা দিতে যাচ্ছে চীন। বাংলাদেশ এই সুবিধা পাবে চলতি বছরের শেষ মাস ডিসেম্বর থেকে।
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় চীনা দূতাবাস সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে জানায়, দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং গত ৫ সেপ্টেম্বর চীন-আফ্রিকান শীর্ষ সম্মেলনে আফ্রিকার ৩৩টি দেশসহ চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকা স্বল্পোন্নত (এলডিসি) দেশগুলোকে শতভাগ শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা দেওয়ার এ ঘোষণা দেন।
স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে ট্যারিফ কোটা ব্যবস্থাপনার আওতাধীন সব ধরনের পণ্য রপ্তানিতে শতভাগ শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা পাবে। তবে কোটার পরিমাণ অতিক্রম করা পণ্যের ক্ষেত্রে মূল শুল্ক হার প্রযোজ্য হবে।
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছিল ১৯৭৫ সালের ১ ডিসেম্বর। একই দিনে বাংলাদেশের জন্য এই বাণিজ্য সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে চীন।
২০২২-২৩ অর্থবছরে চীন ছিল বাংলাদেশের একক বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি করেছে ৬০০ মিলিয়ন ডলারের পণ্য, বাকিটা করেছে চীন।
২০২২ সালে চীন ৯৮ শতাংশ বাংলাদেশী পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেয় যেগুলোর মধ্যে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যসহ ৩৮৩টি নতুন পণ্য ছিল। ২০২০ সালে এই সুবিধা ছিল ৯৭ শতাংশ বাংলাদেশী পণ্যে।























