
ইসরায়েলে প্রায় ১৮০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী সেগুলোর অধিকাংশই ঠেকানো হয়েছে বলে জানিয়েছে।
এই হামলায় এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি আর ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বোমা আক্রমণের হাত থেকে বাঁচার জন্য তৈরি আশ্রয়স্থল থেকে বেরিয়ে আসতে বলেছে সাধারণ নাগরিকদের।
ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ড্যানিয়েল হ্যাগারি এই আক্রমণের পাল্টা জবাব দেয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছেন।
ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার সময় ইসরায়েলজুড়ে সাইরেন বেজে উঠে। বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে জেরুজালেম এবং জর্ডান রিভার ভ্যালি থেকে। রাষ্ট্রীয় টিভি সম্প্রচারের সময় সাংবাদিকরা মাটিতে শুয়ে পড়ে।
ইরানের রেভল্যুশনারী গার্ড বলেছে, ইরান এক ঝাঁক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইসরায়েলে। ইসরায়েল এই হামলার পাল্টা জবাব দিলে তেহরানের জবাব আরও ‘মারাত্মক এবং ধ্বংসাত্মক’ হবে।
ইরানের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার নির্দেশ দিয়েছেন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ী যিনি একটি নিরাপদ স্থানে আছেন।
ইসরায়েলের সেনাবাহিনী বলেছে, ইরানের হামলার পর ইসরায়েলের আকাশসীমা বন্ধ করা হয়েছে।
লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর প্রধান হাসান নাসরাল্লাহ ইসরায়েলের বিমান হামলার নিহত হওয়ার পর ইরান এর প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছিল।
নাসরাল্লাহ হত্যার পরপরই ইসরায়েল লেবাননে সীমিত আকারে স্থল অভিযান শুরু করার পর ইরান থেকে ইসরায়েলে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হলো।























