
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে জানান, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরাপত্তার কারণে অল্প সময়ের নোটিশে ভারতে চলে এসেছেন এবং এখনো ভারতে আছেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন এবং আপাতত সেখানেই থাকবেন।
শেখ হাসিনা কোথায় আছেন তা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুঞ্জন চলছে। কেউ বলছে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে আছেন, আবার কেউ বলছে ভারত সরকার তার জন্য ‘ট্রাভেল ডকুমেন্ট’ ইস্যু করেছে। তবে জয়সোয়াল নিশ্চিত করেছেন যে, শেখ হাসিনা ভারতে রয়েছেন এবং তার অবস্থান সেখানেই স্থায়ী হবে।
বৃহস্পতিবার ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। এ বিষয়ে ভারতের মতামত জানতে চাওয়া হলে মুখপাত্র জয়সোয়াল জানান, তারা এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দেখেছেন, তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
এছাড়াও, বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ৭ মার্চ এবং ১৭ মার্চসহ ৮টি জাতীয় দিবস বাতিলের সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের ভিসাপ্রক্রিয়া এখনও স্বাভাবিক হয়নি। এ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জয়সোয়াল জানান, আপাতত জরুরি এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত ক্ষেত্রে সীমিত আকারে ভিসা দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতির উন্নতি হলে ভিসাপ্রক্রিয়াও স্বাভাবিক হবে।
জয়সোয়াল আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণের বিষয়ে ভারত আগেই বিবৃতি দিয়েছে এবং অন্তর্বর্তী সরকার সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। ভারত মনে করে, এই প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশ সরকারের পালন করা উচিত।























