
নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চূড়ান্ত পর্যায়ে আমেরিকার জনগণের দৃষ্টি এখন ডেমোক্রেট দলের প্রার্থী কমলা হ্যারিসের দিকে। ভোটের আগের রাতে ফিলাডেলফিয়ার মঞ্চে দেয়া তার এক আবেগঘন বক্তৃতায় তিনি সমর্থকদের ধন্যবাদ জানান এবং সাহসী কণ্ঠে ঘোষণা করেন, “আমেরিকার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হতে আমি প্রস্তুত আছি।”
২০২৪ সালের এই নির্বাচনে জয়ের আশায়, আমেরিকাকে এক নতুন দিগন্তে পৌঁছে দিতে চান কমলা। তার মতে, তাদের প্রচারাভিযান আমেরিকার জনগণের উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও স্বপ্নের প্রতিফলন। তিনি আরও বলেন, “আমরা আশাবাদী এবং একসঙ্গে আমরা যা করতে পারি, তা নিয়ে আমরা বেশ উত্তেজিত।”
এই নির্বাচন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ কমলা হ্যারিস নির্বাচিত হলে, আমেরিকার প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করবেন। ২০১৬ সালে প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে পরাজিত হলেও এবার কমলা আশা করছেন, আমেরিকার জনগণ তাকে নির্বাচিত করে ঐতিহাসিক সেই স্বপ্ন পূরণ করবেন।
কমলার মতে, আমেরিকার জনগণ এবার ভয় এবং বিভাজনের রাজনীতির ইতি টানতে যাচ্ছে এবং নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করতে চায়। তার প্রতিশ্রুতি, জনগণের ঐক্য এবং শক্তিকে কেন্দ্র করে একটি উন্নত ও নতুন আমেরিকা গড়ে তুলবেন তিনি।
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় পেতে একজন প্রার্থীকে ৫৩৮টি ইলেক্টোরাল ভোটের মধ্যে ২৭০টি ভোট অর্জন করতে হয়। ভোটের আনুষ্ঠানিক গণনা ২০২৫ সালের ৬ জানুয়ারি কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদে সম্পন্ন হবে এবং নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ২০ জানুয়ারি শপথ গ্রহণ করবেন।























