
ওমানের রাজধানী মাস্কাটের বারকা স্ট্রিটের নাছিম গার্ডেনে বাণিজ্যমেলা ‘মাস্কাট নাইট’ শেষ হবে আগামী ৩১ জানুয়ারি। মেলাটি শুরু হয় গত ২০২৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর। মেলায় আগত দর্শনাথীদের চাহিদার কারণে মেলার সময় আরো ১০ দিন বাড়ানো হয়।
মেলার বৈশিষ্ট্য: প্রতি বছরের মতো এবারো এ মেলার আয়োজন করে মাস্কাট চেম্বার অভ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি।এ মেলার আয়োজন করা হচ্ছে গত ১০ বছর ধরে। মেলায় বিভিন্ন দেশেরসহ ওমানের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসে হরেকরকম আইটেমের দোকান। ওমানি খাবারের দোকানগুলোতে ভিড় থাকে চোখে পড়ার মতো। বোখর মানে ধূপের দোকান ও আতরের চাহিদাও অনেক ওমানিদের মাঝে। এখানে পাওয়া যায় মেয়েদের আবায়া (বোরকা) যা বিভিন্ন দেশ থেকে আসে। রয়েছে সুন্দর সুন্দর জুয়েলারি সামগ্রী।
মেলার মূল আকর্ষণ: বাচ্চাদের বিভিন্ন রাইড দিয়ে সাজানো হয়েছে পুরো গার্ডেন এলাকা। অপরূপ আলোকসজ্জায় সাজানো হয়েছে মেলা। রাত হতেই আতশবাজিতে গার্ডেনের আশপাশসহ পুরো এলাকা আলোকিত হয়ে থাকে দীর্ঘসময়।
বিশেষ আকর্ষণ: আরবি গান ও বাচ্চাদের সুন্দর কুইজ প্রতিযোগিতা দেখার মতো। কিছুক্ষণ পর পর ঘুরে ঘুরে এক ধরনের নৃত্যের সাথে গান করে আরবী শিল্পীরা। বাচ্চাদের জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করে করা হয়েছে গেইম জোন।
বাংলাদেশী স্টল: মেলা ঘুরে বাঙালি স্টলগুলোতে দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা যায়। এসব স্টলে পাওয়া যাচ্ছে বেলুন, পপকর্ন, চটপটি, জুস, হাওয়াই মিঠাইসহ বিভিন্ন প্রকার পণ্য। বাংলাদেশী বিক্রেতা রবিউল হোসেন প্রায় ৫ বছর ধরে এখানে দোকান নিয়ে বসছেন। দামে কম হওয়ায় বিক্রি বেশি হচ্ছে বলে জানালেন তিনি।
টিকেটের মূল্য: দুই বছর বয়সের বাচ্চার উপরের বয়সী সকলের টিকেটের মূল্য রাখা হয়েছে ১ রিয়াল যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩১৫ টাকা। মেলার ভেতরে বাচ্চাদের যেসব রাইড রয়েছে বাংলাদেশী টাকায় সেগুলো চড়তে খরচ করতে হবে ৩০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা।
যেসব দেশের দর্শনাথীরা মেলায় আসে: ওমানি ছাড়াও কাজের কারণে যেসব লোক ওমানে অবস্থান করে তারা এ মেলায় আসছেন। যেমন : বাংলাদেশী, পাকিস্তানি, ভারতীয়, ফিলিপাইনি, মিশরীয়, শ্রীলংকান, ইরানি, ইয়েমেনি, ফিলিস্তিনিসহ বিভিন্ন দেশের মানুষ মেলায় ভিড় করে প্রতিদিন।























