
আয়ারল্যান্ড ২৫০ এবং ৩৩/৫ (টাকার ৯*, এনগারাভা ৪-১২, মুজারাবানি ১-১৬)
জিম্বাবুয়ে ২১০ এবং ১৯৭ (মায়ার্স ৫৭, উইলিয়ামস ৪০, ম্যাকব্রাইন ৪-৩৮, ইয়াং ২-৩৭, এডায়ার ২-৪২)।
জিততে হলে আয়ারল্যান্ডের প্রয়োজন ১২৫ রান, আর জিম্বাবুয়ের প্রয়োজন মাত্র ৫ উইকেট।
দিনের শুরুতে হাতে দশ উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়ে ২৮ রানে পিছিয়ে ছিল। ডিওন মায়ার্স (৫৭) এবং শন উইলিয়ামস (৪০) মিলে জিম্বাবুয়ের লিড শতকের দিকে নিয়ে যান। অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন টেইল অর্ডারে ৫৮ রানে ৪ উইকেট নেন। মাঝে তানাকা চিভাঙ্গা মাথায় আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়লেও পরে ফিরে আসেন। জিম্বাবুয়ের ইনিংস গুটিয়ে যায় ১৯৭ রানে।

১৫৮ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে রিচার্ড এনগারাভার ভয়ানক এক স্পেলের সম্মুখীন হয় আইরিশরা। তার চার-ওভারের স্পেলে মাত্র ১২ রান দিয়ে তিনি তুলে নেন ৪ উইকেট। পিটার মুর, কার্টিস ক্যাম্ফার এবং হ্যারি টেক্টররা বুঝেই উঠতে পারছিলেন না এনগারাভার বল। পল স্টারলিং কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করলেও থিতু হতে পারেননি।

বৃষ্টি খেলা বন্ধ করে দেয়ার আগে টাকার কিছুটা আক্রমণাত্মক খেলে আয়ারল্যান্ডকে ত্রিশের ঘরে নিয়ে যান, কিন্তু তাদের পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে।























