
বাংলাদেশের চট্টগ্রামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে এক শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলকে হুকুমের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে।
গত ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে যাওয়ার পর চট্টগ্রামে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এটি প্রথম মামলা।
চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল কবির জানান, শুক্রবার (১৬ আগস্ট) বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন নগরীর বায়োজিদ থানাধীন আশেকানে আউলিয়া ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী নিহত তানভীর ছিদ্দিকীর (১৯) চাচা মো. পারভেজ।
তানভীর ছিদ্দিকী কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার কালামারছড়া নয়াপাড়ার নুর আহম্মেদ বাড়ীর বাদশা মিয়ার ছেলে।
প্রসঙ্গত, গত ১৮ জুলাই নগরীর চান্দগাঁও থানার বহদ্দারহাটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত হয় সে। তার সহপাঠী ও বন্ধুরা সেই সময় অভিযোগ করেছিল যে আওয়ামী-যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাকে হত্যা করেছে।
শুক্রবার রাতে করা হত্যা মামলায় শেখ হাসিনা ও মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ছাড়াও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের তিনজন কাউন্সিলরসহ ৩৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। মামলায় অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে।
উল্লেখযোগ্য অন্যান্য আসামিরা হলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা বাবর আলী (৫৫), চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী (৫০), চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি (৩৫), চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. এসরারুল হক (৪৫), জামালখান ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন (৫০) ও চকবাজার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নুর মোস্তফা টিনু (৪২)।
এছাড়া আরও আসামি করা হয়েছে তারেক বিন ওসমান শরীফ (৩৫), নোমান শরীফ (৩৭), মহিউদ্দীন ফরহাদ (৪৫), মো. জালাল প্রকাশ ড্রিল জালাল (৪২), মো. ফরিদ (৪২), চট্টগ্রাম সিটি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি মো. তাহসীন (২৭), এইচ এম মিঠু (৪০), নুরুল আলম (৪৮), আরিফ ইফতেকার রশিদ (৩২), ওসমান গণি (৫৫), ইলিয়াছ বাবুল (৪৫), মাইনুল ইসলাম শরীফ, মনির উদ্দিন (২৩), মো. ফিরোজ (৩৮), জাফর আলম (৫৫), মো. দেলোয়ার (৪০), মো. জিয়াউদ্দীন আরমান (২৫), মনছুর আবেদীন (২৫), আবুল হাসনাত (৩৮), মো. জাফর (৩৮), মোহাম্মদ সুমন উদ্দীন (২৮), হোসাইন অভি (২৪), মো. শোয়াইব (৩৮), মিজান সিকদার (৩৫), মো. কাইসার (৪০) ও মাহবুব আলম (৪২)।























