Google search engine

যুক্তরাষ্ট্রে দ্বৈত নাগরিকত্বের আবেদন করার সহজ উপায়

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য দ্বৈত নাগরিকত্বের আবেদন করতে নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এই নির্দেশিকায় বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে কিভাবে সহজে এবং সঠিকভাবে আবেদন করা যাবে, এবং কোন কোন নথি প্রয়োজন হবে। এটি আপনাদের দুইটি দেশের নাগরিকত্ব অর্জনের পথ আরও সুগম করবে এবং আপনাদের জন্য নতুন সুযোগের দ্বার উন্মোচন করবে। বাংলাদেশ কনসুলেট জেনারেল, মিয়ামির নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, আবেদনকারীদের কিছু নির্দিষ্ট নথি জমা দিতে হবে।

নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নথি:

আবেদন ফর্ম: ডুয়াল ন্যাশনালিটি সার্টিফিকেট (ডিএনসি) এর জন্য পূরণকৃত ৩ কপি আবেদনপত্র। আবেদনপত্র ডাউনলোডের লিংক

বাংলাদেশি পাসপোর্টের কপি: বৈধ অথবা মেয়াদোত্তীর্ণ বাংলাদেশ পাসপোর্টের কপি (এমআরপি পাসপোর্টের পৃষ্ঠা ১-২ অথবা হাতে লেখা পাসপোর্টের পৃষ্ঠা ১-৫)।

জন্মসনদ: যদি হাতে লেখা পাসপোর্ট জমা দেওয়া হয়, তাহলে বাংলাদেশ জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি (১৭-সংখ্যার, অনলাইনে যাচাইযোগ্য)।

মার্কিন পাসপোর্টের কপি: আবেদনকারীর বৈধ মার্কিন পাসপোর্টের বায়ো-পৃষ্ঠা।

ছবি: গত ৬ মাসের মধ্যে তোলা ৪ কপি পাসপোর্ট সাইজের সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে রঙিন ছবি। ছবির পেছনে নাম উল্লেখ করতে হবে। আবেদনপত্রের প্রথম সেটের সাথে দুইটি ছবি স্টেপল করুন এবং অন্যান্য সেটের সাথে একটি করে ছবি যুক্ত করুন।

ন্যাচারালাইজেশন বা সিটিজেনশিপ সনদ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম না হলে আবেদনকারীর নাগরিকত্ব সনদের কপি।

মার্কিন জন্ম সনদ: যদি আবেদনকারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেন, তাহলে মার্কিন জন্ম সনদের কপি এবং পিতামাতার বর্তমান/মেয়াদোত্তীর্ণ বাংলাদেশ পাসপোর্টের কপি।

বিদেশী স্বামী/স্ত্রী: যদি আবেদনকারী বাংলাদেশের মূল নাগরিকের বিদেশী স্বামী/স্ত্রী হন, তাহলে বিয়ের সনদপত্র, বিয়ের বর্তমান অবস্থার জন্য নোটারাইজড অ্যাফিডেভিট এবং স্বামী/স্ত্রী’র বাংলাদেশ পাসপোর্টের কপি জমা দিতে হবে।

রেমিটেন্স প্রুফ: বিগত তিন বছরে বাংলাদেশে পাঠানো অর্থের প্রমাণ।

সম্পত্তির বিবরণ: বাংলাদেশে যেকোনো অস্থাবর/স্থাবর সম্পত্তির বিবরণ। আবেদনকারী যদি নিজের নামে কোনো সম্পত্তি না থাকে, তবে পিতামাতার সম্পত্তির বিবরণ প্রদান করতে হবে।

অতিরিক্ত তথ্য: আবেদনপত্রের সাথে অতিরিক্ত তথ্য/মন্তব্য/নথি যোগ করা যেতে পারে।

অ্যাফিডেভিট: আবেদনপত্রের তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য নোটারি পাবলিক বা কনসুলার অফিসারের মাধ্যমে স্বাক্ষরিত অ্যাফিডেভিট।

তারিখের ফরম্যাট: বাংলাদেশী তারিখের ফরম্যাট (dd/mm/yyyy) ব্যবহার করুন।

পেমেন্ট: ক্রেডিট কার্ড (৩.৫% মার্চেন্ট ফি সহ) অথবা মনি অর্ডার/পোস্টাল অর্ডার/ব্যাংক সার্টিফাইড চেক দ্বারা $৭৭ (সাতাত্তর ডলার) পরিশোধ করতে হবে। ডেবিট কার্ড/নগদ পেমেন্ট গ্রহণ করা হবে না।

নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, আবেদনকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়া এবং নির্ধারিত ফি পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার মাধ্যমে, আবেদনকারীরা দ্বৈত নাগরিকত্বের সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন এবং তাদের আন্তর্জাতিক জীবনযাত্রার সুযোগ উপভোগ করতে পারবেন। সকল প্রয়োজনীয় তথ্য এবং নথি সঠিকভাবে জমা দেওয়ার মাধ্যমে, আবেদনকারীরা দ্রুত এবং সুষ্ঠুভাবে নাগরিকত্বের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

More articles

Latest