
সরকারের নির্দেশে বলপূর্বক গুমের তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশনকে নতুন ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। গুমের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট স্থান ও ব্যক্তি চিহ্নিত করার পাশাপাশি, কমিশনকে আয়নাঘরসহ দেশের যে কোনো স্থানে গুমের শিকার ব্যক্তিদের আটকে রাখার স্থান পরিদর্শন এবং জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
কমিশনকে ৯০ দিনের মধ্যে সরকারের কাছে গুমের বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কমিশনের ক্ষমতা ও কার্যপরিধি:
২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যে সব ব্যক্তি বলপূর্বক গুমের শিকার হয়েছেন, তাদের সন্ধানে এ কমিশন কাজ করবে। কমিশনের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে:
- গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধান করা এবং তারা কোথায় ও কিভাবে গুম হয়েছেন তা নির্ধারণ করা।
- আয়নাঘরসহ বিভিন্ন স্থানে পরিদর্শন করা এবং প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সুপারিশ প্রদান করা।
- বিভিন্ন সংস্থা ও ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গুমের সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করা।
- গুম প্রতিরোধে আইনি সুপারিশ প্রদান করা।
কমিশনের সদস্যবৃন্দ:
এই পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিশনের প্রধান হলেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী। অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন বিচারপতি মো. ফরিদ আহমেদ শিবলী, মানবাধিকার কর্মী নূর খান, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাবিলা ইদ্রিস, এবং মানবাধিকার কর্মী সাজ্জাদ হোসেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ কমিশনের কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা ও ব্যয় নির্বাহ করবে।























