
যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রথম দিনেই জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব বন্ধের নির্দেশনা দিতে যাচ্ছেন। এতে দেশটির লাখ লাখ অভিবাসী পরিবারের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, শুধুমাত্র মার্কিন নাগরিক অথবা গ্রিন কার্ডধারী অভিভাবকদের সন্তানরাই নাগরিকত্বের অধিকার পাবে। ফলে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষায় থাকা ভারতীয়, বাংলাদেশি ও অন্যান্য অভিবাসীদের সন্তানদের জন্য আর জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব প্রাপ্তির সুযোগ থাকবে না।
ট্রাম্প-ভ্যান্স প্রচারাভিযানের সাইটে প্রকাশিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন প্রেসিডেন্ট একদিনের মধ্যেই নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করবেন। নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশি ইমিগ্রেশন আইনজীবী জানান, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর বাংলাদেশি পরিবারগুলো তার কাছ থেকে আইনি পরামর্শ চেয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদক্ষেপ মার্কিন সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর লঙ্ঘন হতে পারে এবং এটি বৈধ কিনা তা এখনও প্রশ্নবিদ্ধ।
টাইমস অফ ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন অভিবাসন নীতির এই পরিবর্তন কর্মসংস্থান-ভিত্তিক গ্রিন কার্ডের জন্য অপেক্ষমাণ ভারতীয়দের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে। ক্যাটো ইনস্টিটিউটের গবেষণা অনুযায়ী, শুধুমাত্র ভারতীয় ব্যাকলগেই গ্রিন কার্ড প্রত্যাশীদের সংখ্যা প্রায় এক মিলিয়নে পৌঁছেছে। ট্রাম্পের প্রস্তাবিত নীতির ফলে অনেক অভিবাসী সন্তান তাদের বয়স ২১ পার হলে গ্রিন কার্ডের সুযোগ হারাবে এবং কিছু অভিভাবক গ্রিন কার্ড পাওয়ার অপেক্ষায় মারা যেতে পারেন।























